পুণ্যের দূত

Punner_Dut_www.islamerpath.wordpress.com

যখন আমার প্রথম ছেলে জন্মগ্রহণ করে, তখন আমার বয়স ত্রিশ ছুঁই ছুঁই। সেই রাতের কথা কখনও ভুলতে পারি না। দীর্ঘ রাত পর্যন্ত বন্ধুদের এক আড্ডায় গল্পে মত্ত ছিলাম। গল্প মানে অনর্থক যত বিষয়-গীবত, শেকায়েত, পরনিন্দা, হাসি-ঠাট্টা ইত্যাদি। হাসি ছিল মাত্রা ছাড়ানো। আর আমার দুষ্টুমি ছিল সবার উপরে। কারও আচরণ নকল করার বিদ্যা যেকেউ আমার কাছ থেকে শিখতে পারে। কারও আচরণ বা কথাবার্তা অবিকল নকল করতে আমার সময় লাগে কয়েক মুহূর্ত। এতে আমার বন্ধুরা খুব মজা পায়। আমি যেকারও কণ্ঠ নকল করতে পারতান। আর আমার এই অপকর্ম থেকে রক্ষা পেয়েছে, এমন কোন বন্ধু হয়তো নেই।

সেই রাতে নতুন দুষ্টুমি আমার মাথায় চেপেছিল। সন্ধায় বাজার হয়ে কোথাও যাচ্ছিলাম। ঘুরে ঘুরে ভিক্ষা করছিল এক অন্ধ লোক। আমি তার সামনে পা বাড়িয়ে দিলাম। ডিগবাজি খেয়ে পড়ে গেল সে। আমার দিকে ফিরে বেচারা অনেক বকাবকি করল। অনেক কিছু বলতে বলতে সামনে এগিয়ে গেল। এদিকে আমি এই আচরণের জন্য লজ্জিত হওয়ার বদলে খিলখিলিয়ে হাসছিলাম।

Continue reading

Advertisements

নাচঘরে মসজিদের ইমাম

NachGorer_Imam_www.islamerpath.com

একজন বুড়ো আলেম ছিলেন। এক মহল্লার মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করতেন। নামায ও কুরআন তালীমের পিছনেই জীবনের সময় ব্যয় করেছিলেন তিনি। একদিন তিনি অনুভব করলেন, দিনদিন নামাযীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। বিষয়টি তাঁকে পেরেশান করছিল। মুসল্লীদেরকে তিনি নিজের সন্তানের মত ভালোবাসতেন। একদিন নামায শেষে মুসল্লীদের দিকে ফিরে বললেন, ব্যাপার কী, মানুষ নামাযে আসে না যে? বিশেষত মসজিদে যুবকদের দেখাই পাওয়া যাচ্ছে না।

মুসল্লীরা বললেন, লোকজন রং-তামাশা ও উম্মাদনায় ব্যস্ত। নাচঘরে গিয়ে সবাই নাচ দেখছে। ইমাম সাহেব বললেন, নাচঘর! তা আবার কী জিনিস?

এক যুবক মুসল্লী বললেন, অনেক বড় একটি কামরা। তার একপাশে কাঠের তৈরী লম্বা-চওড়া মঞ্চ। তাতে তরুণীরা খুব সংক্ষিপ্ত কাপড়চোপড় পরে কুদাকুদি করে; বেসামাল হয়ে নাচে। লোকজন তাদের সামনে বসে তৃষ্ণকাতর দৃষ্টিতে সেই নাচ দেখে, তালি বাজায় Continue reading