সমুদ্রের পানির মাঝখানে অদৃশ্য দেয়ালের অস্তিত্ব

কুরআন কি বর্ণনা করেছে এ ক্ষেত্রে?

Behind the sea 1 [www.islamerpath.wordpress.com]কুরআন কারিম সর্বকালের সর্ব যুগের মানুষের জন্য এক আলোকবর্তিকা ও বৈজ্ঞানিক সাংকেতিক সংক্ষিপ্ত বার্তা। পৃধিবীর মাঝে একমাত্র আল-কোরআন ও তার নিয়মাবলী মানুষকে শান্তির ধারায় আনয়ন করতে পারে। কুরআনের এ telegraphic message নাস্তিকতা ও বহুঈশ্বরবাদ হতে মানুষকে হটিয়ে এক আল্লাহর দিকে আহবান করে। আসুন দেখি কি scientific message লুকিয়ে আছে কুরআনের এই আয়াতে যা ১৩৫০ বছর আগে মানুষ ভাবতে পারেনি বা সেভাবে চিন্তা করার যোগ্যতা বা সামর্থ অর্জন করতে সক্ষম হয়নি-

أَمَّنْ جَعَلَ الأرْضَ قَرَارًا وَجَعَلَ خِلالَهَا أَنْهَارًا وَجَعَلَ لَهَا رَوَاسِيَ وَجَعَلَ بَيْنَ الْبَحْرَيْنِ حَاجِزًا أَإِلَهٌ مَعَ اللَّهِ بَلْ أَكْثَرُهُمْ لا يَعْلَمُونَ

কে পৃথিবীকে করেছে আবাসযোগ্য এবং তার মধ্যে প্রবাহিত করেছেন নদী-নালা। আর তাতে স্থাপন করেছেন সৃদৃঢ় পর্বতমাল এবং দুই সাগরের মাঝখানে সৃষ্টি করেছেন অন্তরায়। আল্লাহর সঙ্গে কি অন্য কোনো ইলাহ আছে? বরং তাদের অধিকাংশই জানে না। (নামাল, ২৭ : ৬১) Continue reading

Advertisements

আমাদের এ পৃথিবী – ডিম্বাকার, গোলাকার না সমতল?

আদিম সময়কাল থেকে মানুষের অনুমানপূর্ব ধারনা করত যে, পৃথিবীর আকার হচ্ছে our-earth-oval 1 [www.islamerpath.wordpress.com]চ্যাপ্টা বা সমতল। হাজার বছর ধরে হাস্যকরভাবে মানুষ বেশি দূর পযর্ন্ত ভ্রমন করত না পৃথিবীর কিনারা থেকে ছিটকে পড়ে যাবার ভয়ে । ১৫৯৭ সালে ফ্রান্সিস ড্রেক প্রথম পৃথিবীর চারদিকে নৌ-ভ্রমন করে প্রমান করেছিলেন যে, পৃথিবী গোলাকার। দিনরাত্রির পরিবর্তন সম্পর্কে আল কোরআনের নিচের আয়াতটির দিকে দৃষ্টিপাত করা যাক-

أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يُولِجُ اللَّيْلَ فِي النَّهَارِ وَيُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ يَجْرِي إِلَى أَجَلٍ مُسَمًّى وَأَنَّ اللَّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ

“তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন? তিনি চন্দ্র ও সূর্যকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকেই নির্দিষ্টকাল পযর্ন্ত পরিভ্রমণ করে। তুমি কি আরও দেখ না যে, তোমরা যা কর, আল্লাহ তার খবর রাখেন? ” [সুরা লুকমান-৩১:২৯]

লক্ষনীয় যে এখানে বলা হচ্ছে, রাত ধীরে ধীরে এবং ক্রমশ দিনে রূপান্তরিত হয়, অনুরূপভাবে দিনও ধীরে ধীরে রাতে রূপান্তরিত হয়। এ ঘটনা কেবল পৃথিবী গোলাকার হলেই ঘটতে পারে। পৃথিবী যদি চ্যাপ্টা বা সমতলভূমি হত, তাহলে রাত্রি থেকে দিনে এবং দিন থেকে রাত্রিতে একটা আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে যেত। অর্থাৎ সেকেন্ডের মধ্যে দিন হতো আবার সেকেন্ডের মধ্যেই কিছু বুঝে উঠার আগেই রাতের প্রবেশ ঘটতো। একই তথ্য আল্লাহপাক দিয়েছেন- Continue reading

পিঁপড়ার অত্যাশ্চর্য জীবনপদ্ধতি

আল্লাহ কুরআন করীমে বলেনঃAnt stunning life 1 [www.islamerpath.wordpress.com]

وَحُشِرَ لِسُلَيْمَانَ جُنُودُهُ مِنَ الْجِنِّ وَالإنْسِ وَالطَّيْرِ فَهُمْ يُوزَعُونَ

حَتَّى إِذَا أَتَوْا عَلَى وَادِ النَّمْلِ قَالَتْ نَمْلَةٌ يَا أَيُّهَا النَّمْلُ ادْخُلُوا مَسَاكِنَكُمْ لا يَحْطِمَنَّكُمْ سُلَيْمَانُ وَجُنُودُهُ وَهُمْ لا يَشْعُرُونَ

“সোলায়মানের সামনে তার সেনাবাহিনীকে জড় করা হল।জ্বিন,মানুষ ও পাখীকূলকে, অতঃপর তাদেরকে বিভিন্ন ব্যুহে বিভক্ত করা হল।যখন তারা পিপীলিকা অধ্যুষিত উপত্যকায় পৌছল,তখন এক পিপীলিকা বলল,হে পিপীলিকার দল, তোমরা তোমাদের ঘরে প্রবেশ কর।অন্যথায়,সোলায়মান ও তাঁর বাহিনী অজ্ঞাতসারে তোমাদেরকে পিষ্ট করে ফেলবে।” সূরা আন নামল-১৭-১৮ Continue reading

দুধ উৎপাদনের বিষ্ময়কর প্রযুক্তি

দুধ মানুষের জন্য এক অMilk Production 1 [www.islamerpath.wordpress.com]পূর্ব নিয়ামত আধুনিক বিজ্ঞান বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যেমে বর্ণনা করছে যে, দুধে এমন বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা জমিনের উপরে অন্য কোন খাদ্যে পাওয়া যায় না। রাসূলুল্লাহ সা. যে কোন খাদ্য খাওয়ার সময় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে বলতেনঃ

(اللهم بارك لنا فيما رزقتنا وارزقنا خيرا منه.  (ابن ما جة

হে আল্লাহ তুমি যে রিযিক আমাদের কে দান করেছ, তাতে তুমি বরকত দাও এবং এর চেয়ে উত্তম রিজিক আমাদেরকে দান কর। (ইবনে মাজা)

আর যখন তিনি দুধ পান করতেন তখন বলতেনঃ

(اللهم بارك لنا فيما رزقتنا وزدنا منه .  (ابن ما جة

হে আল্লাহ তুমি যে রিজিক আমাদেরকে দিয়েছো, তাতে তুমি বরকত দাও এবং তা তুমি আমাদেরকে বেশী বেশী দান কর।

এখানে তিনি এই দুধের চেয়ে উত্তমের কামনা করেননি। কারণ মানুষের খাদ্য তালিকায় দুধের চেয়ে উত্তম কোন খাদ্য নেই।

ডা. আলমিযা ইয়াজী বলেন – জীব বিজ্ঞানীগণ পরীক্ষা করেছেন যে, গাভী খাদ্যের মাধ্যমে যে সব প্রোটিন খায় তা হিসেব ও ওজন করেছেন এবং গাভীর থেকে যে দুধ বেরিয়ে আসে সেই দুধের প্রোটিন ও ওজন করে দেখেন যে দুধের থেকে যে প্রোটিন পাওয়া গিয়েছে তার ওজন ঐ সব প্রোটিন যা গাভী তার খাদ্যের মাধ্যমে Continue reading

‘বিগ ব্যাং’ কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ?

Big Bang 1 [www.islamerpath.wordpress.com] বিজ্ঞানীগণ ধারনা করেন প্রায় ২০,০০০ বিলিয়ন আলোকবর্ষ ব্যাপী আমাদের এ মহাবিশ্বটি মহাশূন্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছে। তারাঁ শক্তিশালী টেলিস্কোপের মাধ্যমে গ্যালাক্সির অবস্থান নিরুপন করতে সমর্থ হয়েছেন। প্রায় প্রতিটি গ্যালাক্সিতে আবার ৪০,০০০ কোটি নক্ষত্রের আনাগোনা রয়েছে। এতেই শুধু শেষ নয় প্রতি নক্ষত্রের সাথে আছে তার গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু ও ধূমকেতুসহ অগুনিত জানা-অজানা মহাজাগতিক বস্তু ও আলোর-বিকিরনের সমাহার যাকে আমরা নামকরন করেছি- “নক্ষত্রের নিজস্ব সৌর পরিবার”।বর্তমানে সবচাইতে আলোচিত আবিষ্কার এই তত্বটি সর্বমহলে আলোচিত ও সমালোচিত। বিশেষ করে আমেরিকানদের প্রযুক্তি আড্ডার কলেবরে এখনো তুমুল ঝড় উঠে পক্ষে-বিপক্ষে।

মহাবিস্ফোরণের পূর্বে পদার্থ বা বস্তু বলে কিছূ ছিলনা। এমনি এক অস্তিত্বহীন বা শূণ্যাবস্থায় বিদ্যমান ছিল না কোন পদার্থ, না কোন শক্তি, এমনকি সময়ের অস্তিত্ত্ব ছিলনা – যা কেবল অধিবিদ্যামূলক (Metaphysically) কিংবা বিমূর্ত আলোচনায় বর্ণনা করা যায়- তেমনি একটি অবস্থা থেকে পদার্থ, শক্তি আর সময়ের সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের এই সমস্ত মহাবিশ্ব সৃষ্টির আদিতে একটা অতি ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র বিন্দু ছিল তারপর হয় ‘বিশাল বিস্ফোরন’ ইংরেজীতে যা ‘Big Bang’ তত্ব নামে অতি সুপরিচিত। এই প্রচন্ড বিস্ফোরনের পর চন্দ্র, সূর্য ,পৃথিবী এবং হাজার কোটি গ্যালাক্রী, নক্ষত্র, ছায়াপথ, নিহারিকা ও অন্যান্য অনাবিষ্কৃত বস্তু ও বলয়ের সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের ক্ষুদ্র গ্যালাক্রীর প্রায় ৪০ হাজার কোটি সে সে মধ্যে আমাদের এই সূর্যটি অতি ক্ষুদ্র সূর্য যার ১১-১৩টি গ্রহ ,উপগ্রহের পরিবার রয়েছে। তথ্যটি নিয়ে গবেষনা শুরু হয়েছে এই 20 শতকের প্রথম দিকে । কিন্তু কুরআনে এই ফর্মূলা প্রকাশিত হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে, কুরআন-কারীম সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বশেষ আল্লাহ্ তা‘আলার বার্তা, আল্লাহ্তা‘আলা সন্দেহাতীতভাবে প্রয়োজনীয় প্রায় সর্ব বিষয়েরই র্নিভূল তথ্য এ কুরআনে উল্লেখ করেছেন। অনেকে ধারনা করেন “science”-এর প্রতিটি তথ্যের বিশ্লেষনধর্মী ব্যাখ্যা কুরআনে রয়েছে, আসলে Continue reading